https://www.youtube.com/user/medicarehealthplus/videoshttps://www.youtube.com/user/medicarehealthplus/videos
Monday, 15 September 2014
Thursday, 4 September 2014
নেক্সাস ফিজিওথেরাপি সেন্টার
বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় ৮০% মানুষই জীবনের কোন না-কোন সময়ে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথায় ভুগেন। সঠিক সময়ে এই কোমর ব্যথার নির্দিষ্ট কারন বের করে এবং দ্রুত চিকিৎসা করালে বার বার কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হতে হবে না।
কোমর ব্যথার কারণ : কোমর ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে বেশীর ভাগ হচ্ছে ‘মেকানিক্যাল সমস্যা’। মেকানিক্যাল সমস্য বলতে মেরুদন্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো, আংশিক ছিড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থানের পরিবর্তন ও মেরুদন্ডের নির্দিষ্ট বক্রতার পরিবর্তনকে বোঝায়। চলাফেরা, জীবিকার ধরন, খুব বেশী ভার বা ওজন বহন, মেরুদন্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাঁড়িয়ে কোনো কাজ করা, মেরুদন্ডে আঘাত পাওয়া সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য হয়ে থাকে। অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত মেরুদন্ডে ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অস্টিওআথ্রাইটিস বা গেঁটে বাত, অস্টিওপোরোসিস, এনকাইলজিং স্পনডাইলোসিস, মেরুদন্ডের স্নায়বিক সমস্যা, টিউমার ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসপেশির সমস্যা, পেটের বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরুদন্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুঁড়ি অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।
উপসর্গঃ শুরুতে ব্যথা অল্প হলেও পরে তা বাড়তে থাকে বা হঠাৎ প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে এবং ব্যথা পায়ের দিকে নেমে মারাত্নক সমস্যা সৃষ্টি করে।এমন কি স্বাভাবিক চলাফেরা, নড়াচড়াও কঠিন হয়ে পড়ে। সমস্যার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে যেমন -কোমরে ব্যথা, পায়ে ব্যথা,ব্যথা পায়ের আঙ্গুলের দিকে নেমে আসা, পায়ে অবশ ভাব,পায়ে শিন শিন করা,পায়ে দুর্বলতা ইত্যাদি।ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোনো এক পায়ে নামতে পারে।অনেকক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যাথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশির ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।তাই প্রথম অবস্থায় একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব।
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাঃকোমরের সমস্যার উপর নির্ভর করে ফিজিওথেরাপিস্ট Exercise ও অন্যান্য ফিজিওথেরাপি নির্ধারণ করে। সকল সমস্যার জন্য একই Exercise প্রযোজ্য নয়। Back strengthening exercise এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী Traction, UST, SWD, TENS, MANIPULATION , MOBILISATION চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
আপনি নিজে কি করতে পারেন:ফিজিওথেরাপিস্টের দেওয়া পরামর্শ মেনে চলুন। শেখানো ব্যায়াম গুলো নিয়মিত করুন। দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকবেন না।হাঁটু না-ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। সঠিক পদ্ধতিতে ভারী জিনিস বহন করলে বারবার কোমর ব্যথা ফিরে আসবে না। শুধুমাত্র এক্সারসাইজ এবং অন্যান্য উপদেশ মেনে চললে কোমর ব্যথা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া যায়।
হাঁটুর ব্যথায় চলাফেরা,সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করতে অসুবিধা হচ্ছে? ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত হাঁটুর এক্সারসাইজ করলে শুধুমাত্র ব্যথা-ই কমবে না পরবর্তী তে ব্যথা হবার সম্ভাবনা ও অনেক কমে যাবে।
এক্সারসাইজ হাঁটুর মাসল/ মাংসপেশী গুলোকে শক্তিশালী করে ও হাঁটুর ব্যথা কমায়।পায়ের মাসল যদি দুর্বল হয় তাহলে হাঁটুর জয়েণ্টগূলো-কে ঠিক মতো সাপোর্ট দিতে পারে না।ফলে হাঁটুর উপর পুরো শরীরের অতিরিক্ত চাপ পরে যায়। তখন অল্প আঘাত লাগলেও তা গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধুমাত্র মাসল টাইট করলে-ই চলবে না তার সাথে বাড়াতে হবে হাঁটুর ফ্লেক্সিবেলিটি।
কি কি কারণে হাঁটুর ব্যথা হয়?
অস্টিও-আরথ্রাইটিস,লিগামেন্ট ইনজুরি, টেন্ডন ইনজুরি, রিউমাটয়েড-আরথ্রাইটিস, গাউট, অষ্টিও-পরসিস,সেপটিক-আরথ্রাইটিস,স্পোর্টস ইনজুরি,আঘাত জনিত ব্যথা,গ্রোথ পেইন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
এক্সারসাইজ হাঁটুর মাসল/ মাংসপেশী গুলোকে শক্তিশালী করে ও হাঁটুর ব্যথা কমায়।পায়ের মাসল যদি দুর্বল হয় তাহলে হাঁটুর জয়েণ্টগূলো-কে ঠিক মতো সাপোর্ট দিতে পারে না।ফলে হাঁটুর উপর পুরো শরীরের অতিরিক্ত চাপ পরে যায়। তখন অল্প আঘাত লাগলেও তা গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধুমাত্র মাসল টাইট করলে-ই চলবে না তার সাথে বাড়াতে হবে হাঁটুর ফ্লেক্সিবেলিটি।
কি কি কারণে হাঁটুর ব্যথা হয়?
অস্টিও-আরথ্রাইটিস,লিগামেন্ট ইনজুরি, টেন্ডন ইনজুরি, রিউমাটয়েড-আরথ্রাইটিস, গাউট, অষ্টিও-পরসিস,সেপটিক-আরথ্রাইটিস,স্পোর্টস ইনজুরি,আঘাত জনিত ব্যথা,গ্রোথ পেইন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
উপসর্গসমূহঃ
• হাঁটু-তে ব্যথা অনুভূত হয়
• ফুলে যায়
• লাল হয়ে যেতে পারে
• হাঁটাচলা/সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে অসুবিধা হয়
• হাঁটু ভাঁজ /সোজা করতে অসুবিধা হয়
কাঁধে ব্যথা বা ফ্রজেন সোলডার
কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া, কাঁধে তীব্র ব্যথা এবং ধীরে ধীরে কাঁধের ও হাতের নাড়ানো-র ক্ষমতা কমে যাওয়া হল ফ্রজেন সোলডার-এর প্রধান লক্ষণ। সাধারণত উপসর্গগুলো ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং সময়-এর সাথে তা খারাপ হতে থাকে। তবে ৯ মাস থেকে ২ বছরের মধ্যে ফ্রজেন সোলডার সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যায়।
ফ্রজেন সোলডার-এর কারণঃ সাধারণত ডায়াবেটিস রোগী, সোলডার ইঞ্জুরি, সোলডার সার্জারি, সারভাইকেল স্পন্ডোলায়সিস, হার্ট সার্জারি, মহিলাদের মাসিক বন্ধ হবার পর এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
ফ্রজেন সোলডার-এর কারণঃ সাধারণত ডায়াবেটিস রোগী, সোলডার ইঞ্জুরি, সোলডার সার্জারি, সারভাইকেল স্পন্ডোলায়সিস, হার্ট সার্জারি, মহিলাদের মাসিক বন্ধ হবার পর এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
উপসর্গঃ ব্যথা, কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া, জয়েন্ট নড়াচড়া-তে অসুবিধা, হাত ঝিন ঝিন করা, হাতে ভারী ভাব – প্রধান লক্ষণ। সাধারণত এই রোগের ক্ষেত্রে x-ray তে কোন কিছু পাওয়া যায় না। ফ্রজেন সোলডার-এর কারনে চুল আঁচড়াতে , শার্ট পরতে, পিছনের পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করতে, ভারি জিনিস উঠাতে অসুবিধা হয়।
চিকিৎসাঃ ব্যথা নিরাময় ওষুধের মাধ্যমে ব্যথা কিছুটা কম হলেও তা ক্ষণস্থায়ী। তবে এসব ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি খুব-ই কার্যকর। অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা মাসল ব্যালেন্স থেরাপি এবং শেখানো ব্যায়াম-এর মাধ্যমে কাঁধের ব্যথা নিরাময় হয় এবং রোগী হাত উপরে উঠাতে পারে। ১৫-২১ দিন ফিজিওথেরাপির পর প্রতিদিন বাসায় শেখানো ব্যায়ামগুলো করতে হবে।এতে দ্রুত ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর গোড়ালি ব্যথার জন্য পায়ে ভর দেওয়া যায় না?বেশিক্ষণ হাঁটা বা দাঁড়ানো যায় না..? হাঁটাচলা বা দৌড়ানোর সময় গোড়ালি শরীরের সম্পূর্ণ ওজন বহন করে।হিল পেইন বা গোড়ালি ব্যথা পায়ের ব্যথাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
বিভিন্ন কারনে গোরালির ব্যথা হয়ে থাকে যেমন-প্লেন্টার ফেসাইটিস, কেলকেনিয়ান স্পার,রেট্রকাল-কেনিয়ালবারসাইটিস,একিলিসটেন্ডিনাইটিস, আরথ্রাইটিস ,আঘাত/ইঞ্জুরি,ওস্টিওমাইলাইটিস ,অর্থোপ্যাথি, রিউমাটোএড আরথ্রাইটিস।
উপসর্গঃ
- পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা। হাঁটলে ব্যথা বেড়ে যায়।
- গোড়ালি কখনো কখনো ফুলে যেতে পারে।
- খালি পায়ে শক্ত জায়গায় হাঁটলে ব্যথা বেশি বাড়ে।
- প্লাস্টার ফাসাইটিস হলে পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা সকালে বেশি থাকে এবং তা বেলা বাড়ার সাথে কমে।
- কখনো কখনো গোড়ালি শক্ত শক্ত মনে হয়।
- শক্ত জুতা ব্যবহার করলেও ব্যথা বেড়ে যায়।
বিভিন্ন কারনে গোরালির ব্যথা হয়ে থাকে যেমন-প্লেন্টার ফেসাইটিস, কেলকেনিয়ান স্পার,রেট্রকাল-কেনিয়ালবারসাইটিস,একিলিসটেন্ডিনাইটিস, আরথ্রাইটিস ,আঘাত/ইঞ্জুরি,ওস্টিওমাইলাইটিস ,অর্থোপ্যাথি, রিউমাটোএড আরথ্রাইটিস।
উপসর্গঃ
- পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা। হাঁটলে ব্যথা বেড়ে যায়।
- গোড়ালি কখনো কখনো ফুলে যেতে পারে।
- খালি পায়ে শক্ত জায়গায় হাঁটলে ব্যথা বেশি বাড়ে।
- প্লাস্টার ফাসাইটিস হলে পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা সকালে বেশি থাকে এবং তা বেলা বাড়ার সাথে কমে।
- কখনো কখনো গোড়ালি শক্ত শক্ত মনে হয়।
- শক্ত জুতা ব্যবহার করলেও ব্যথা বেড়ে যায়।
চিকিৎসা
সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধ যেমন¬প্যারাসিটামল, ইন্ডোমেথাসিন, নেপ্রক্সিন ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। তবে এইক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি বিশেষ করে করে।ওয়াক্স থেরাপি, হাইড্রোথেরাপি, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, এক্সারসাইস ভালো কাজ। নীচের পরামর্শ মেনে চললে একজন সুস্থ মানুষও এ রোগ থেকে দূরে থাকতে পারে।
- আর্চ সাপোর্ট দেয়া, গোড়ালির কাছে ছিদ্র করে নেয়া।
- সবসময় নরম জুতা বা সোল ব্যবহার করবেন।
- একটানা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন না বা হাঁটবেন না।
- ব্যথা বেশি থাকা অবস্থায় কোনো প্রকার ব্যায়াম নিষেধ।
- হাই হিল জুতা ব্যবহার করা নিষেধ।
NEXUS PHYSIOTHERAPY CENTRE
364/7 South Monipur,Dhaka., 1216 Mirpur, Dhaka, Bangladesh.Mobile-01795-405475
আজ কাল আমাদের দেশে কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এই ঘাড়ে ও কোমর ব্যথার অন্যতম কারন হলো অসচেতনতা। একটু সচেতন হলেই এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার বড় অংশ হল যারা বসে বসে কাজ করেন। যেমন অফিস এক্সিকিউটিভ, দোকানদার, কম্পিউটার অপারেটর।
যারা অফিস এক্সিকিউটিভ তাঁরা সারাদিন অফিসে বসে অনেক লেখালেখি করেন ও ল্যাপটপে কাজ করেন সামনের দিকে ঝুঁকে। ফলে কোমর ও ঘাড়ের মাংস পেশিতে স্ট্রেস থাকে দীর্ঘক্ষণ। এই স্ট্রেস থাকার কারনে মাংস পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এর কারনে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কোমরে লার্ডোটিক কার্ভ কমে যায়। আবার দুর্বল স্টাকচারের কারনে অনেক সময় লাম্বার স্পাইনের ভিতরের ডিস্ক পিছনের দিকে বেড় হয়ে নার্ভ রুটএ চাপ দেয় যার ফলে পায়ের নিচের দিকে মাংস পেশিতে ব্যথা হয়।
এছাড়া ঘাড়েও একই রকম ব্যথা হয়। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি দেখা যায় (ফরওয়ার্ড হেড পোশ্চার) মাথা একটু বেশী সামনের দিকে আসে। একটু সচেতন হলেই এ ধরনের জটিল সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। যেমন দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থায় বসে কাজ না করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে উঠে দাঁড়িয়ে অবস্থান পরিবর্তন করা।বসার সময় কোমর সুরক্ষিত থাকে, এমনভাবে বসতে হবে।
চেয়ারে Lumbar Roll ব্যাবহার করে মেরুদণ্ড কে সোজা রেখে কোমর ব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।শক্ত সমান বিছানায় এক বালিশে চিত হয়ে ঘুমাবেন।ঘাড় যাতে বালিশ(Cervical Pillow) দিয়ে সাপোর্ট দেয় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন।
কোমর ব্যথা এড়াতে – Medicare Lumbar Roll
ঘাড়ে ব্যথা এড়াতে – Medicare Cervical Pillow
Saturday, 30 August 2014
অভ্যাস বদলে রেহাই পান কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার---
অভ্যাস বদলে রেহাই পান কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার---
কোমর ব্যথা এড়াতে –
Medicare Lumbar Roll @500 BDT.
ঘাড়ে ব্যথা এড়াতে – Medicare Cervical Pillow@1000 BDT.
For online order or home delivery please call-01795405475
আপনার বা আপনার প্রিয়জনের জন্য দারুন একটি উপহার। হোম ডেলিভারি ও ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে।
ঘরে বসে অর্ডার দিন।পণ্য বুঝে নিয়ে টাকা দিন II ফ্রি হোম ডেলিভারি///
আপনার বা আপনার প্রিয়জনের জন্য দারুন একটি উপহার। হোম ডেলিভারি ও ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে।
ঘরে বসে অর্ডার দিন।পণ্য বুঝে নিয়ে টাকা দিন II ফ্রি হোম ডেলিভারি///
অভ্যাস বদলে রেহাই পান কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার---
আজ কাল আমাদের দেশে কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এই ঘাড়ে ও কোমর ব্যথার অন্যতম কারন হলো অসচেতনতা। একটু সচেতন হলেই এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। কোমর ও ঘাড়ে ব্যথার বড় অংশ হল যারা বসে বসে কাজ করেন। যেমন অফিস এক্সিকিউটিভ, দোকানদার, কম্পিউটার অপারেটর।
যারা অফিস এক্সিকিউটিভ তাঁরা সারাদিন অফিসে বসে অনেক লেখালেখি করেন ও ল্যাপটপে কাজ করেন সামনের দিকে ঝুঁকে। ফলে কোমর ও ঘাড়ের মাংস পেশিতে স্ট্রেস থাকে দীর্ঘক্ষণ। এই স্ট্রেস থাকার কারনে মাংস পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এর কারনে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কোমরে লার্ডোটিক কার্ভ কমে যায়। আবার দুর্বল স্টাকচারের কারনে অনেক সময় লাম্বার স্পাইনের ভিতরের ডিস্ক পিছনের দিকে বেড় হয়ে নার্ভ রুটএ চাপ দেয় যার ফলে পায়ের নিচের দিকে মাংস পেশিতে ব্যথা হয়।
এছাড়া ঘাড়েও একই রকম ব্যথা হয়। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি দেখা যায় (ফরওয়ার্ড হেড পোশ্চার) মাথা একটু বেশী সামনের দিকে আসে। একটু সচেতন হলেই এ ধরনের জটিল সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। যেমন দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থায় বসে কাজ না করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে উঠে দাঁড়িয়ে অবস্থান পরিবর্তন করা।বসার সময় কোমর সুরক্ষিত থাকে, এমনভাবে বসতে হবে।
চেয়ারে Lumbar Roll ব্যাবহার করে মেরুদণ্ড কে সোজা রেখে কোমর ব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।শক্ত সমান বিছানায় এক বালিশে চিত হয়ে ঘুমাবেন।ঘাড় যাতে বালিশ(Cervical Pillow) দিয়ে সাপোর্ট দেয় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন।
কোমর ব্যথা এড়াতে – Medicare Lumbar Roll @500 BDT.
ঘাড়ে ব্যথা এড়াতে – Medicare Cervical Pillow@1000 BDT.
For online order or home delivery please call-01795405475
আপনার বা আপনার প্রিয়জনের জন্য দারুন একটি উপহার। হোম ডেলিভারি ও ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে।
ঘরে বসে অর্ডার দিন।পণ্য বুঝে নিয়ে টাকা দিন II ফ্রি হোম ডেলিভারি
For details….
How to use a lumbar roll---
Saturday, 9 August 2014
Exercises To Reduce Lower Back Pain
Exercises To Reduce Lower Back Pain
The following lower back strengthening exercises are designed to improve the strength of the muscles of the lower back. You should discuss the suitability of these exercises with your physiotherapist prior to beginning them. Generally, they should only be performed provided they do not cause or increase pain.
Begin with the basic lower back strengthening exercises. Once these are too easy, add the intermediate lower back exercises. As your strength improves, the advanced back exercises can then be added to the intermediate program.
Lower Back Strengthening – Basic Exercises
To begin with, the following basic lower back strengthening exercises should be performed approximately 3 times daily. As your lower back strength improves, the exercises can be progressed by gradually increasing the repetitions, frequency or duration of the exercises provided they do not cause or increase pain.Transversus Abdominus Retraining
Slowly pull your belly button in "away from your belt line" and breathe normally. Your rib cage should remain relaxed and should not elevate during this process. You should be able to feel the muscle contracting if you press deeply 2cm in from the bony process at the front of your pelvis (figure 1). Practise holding this muscle at one third of a maximal contraction for as long as possible during everyday activity (e.g. when walking etc.) provided it is pain free. Repeat this back exercise 3 times daily.
Figure 1 – Transversus Abdominus Retraining
Opposite Arm Leg Raises
Begin this exercise lying on your stomach with your arms above your head as demonstrated (figure 2). Keeping your knee and elbow straight, slowly lift your opposite arm and leg tightening your lower back and bottom muscles. Hold for 2 seconds and then return to the starting position. Repeat this process with the other arm and leg. Perform 10 times on each side provided it is pain free.
Figure 2 – Opposite Arm Leg Raises (right arm, left leg)
Lower Back Strengthening – Intermediate Exercises
The following intermediate lower back strengthening exercises should generally be performed 1 - 3 times per week provided they do not cause or increase pain. Ideally they should not be performed on consecutive days, to allow muscle recovery. As your lower back strength improves, the exercises can be progressed by gradually increasing the repetitions, number of sets or duration of the exercises provided they do not cause or increase pain.Prone Hold
Begin this exercise propped up on your elbows and toes with your back straight as demonstrated (figure 3). Hold this position for as long as possible provided it is pain free and you are maintaining good posture. Repeat 3 times.
Figure 3 – Prone Hold
Supermans
Begin this exercise lying on your stomach with your arms above your head as demonstrated (figure 4). Keeping your knees and elbows straight, slowly lift both arms and legs tightening your lower back and bottom muscles. Hold for 2 seconds and slowly return to the starting position. Perform 3 sets of 10 repetitions provided the exercise is pain free.
Figure 4 – Supermans
Side Holds
Begin this exercise propped up on one elbow and foot with your back straight as demonstrated (figure 5). Hold this position for as long as possible provided it is pain free and you are maintaining good posture. Repeat 3 times on each side.
Figure 5 – Side Holds (left side)
Resistance Band Rotation
Begin this exercise kneeling or standing with your back straight, holding a resistance band as demonstrated (figure 6). Slowly rotate your body keeping your arms and back straight. Perform 3 sets of 10 repetitions as far as possible provided it is pain free.Monday, 28 July 2014
The Health Benefits of Yoga
The Health Benefits of Yoga
Yoga for Flexibility
Yoga poses work by stretching
your muscles. They can help you move better and feel less stiff or tired.
At any level of yoga, you'll probably start to notice benefits
soon. In one study, people improved their flexibility by up to 35% after only 8
weeks of yoga.
Strike a Pose for Strength
Some styles of yoga, such as ashtanga and power yoga, are very
physical. Practicing one of these styles will help you improve muscle tone.
But even less vigorous styles of yoga, such as Iyengar or hatha,
can provide strength and endurance benefits.
Many of the poses, such as downward dog, upward dog, and the plank pose, build
upper-body strength. The standing poses, especially if you hold them for
several long breaths, build strength in your hamstrings, quadriceps, and abs.
Poses that strengthen the lower back include upward dog and the chair
pose.
When done right, nearly all poses build core strength in the deep
abdominal muscles.
Better Posture From Yoga
When you're stronger and more flexible, your posture improves.
Most standing and sitting poses develop core strength, since you
need your core muscles to support and maintain each pose.
With a stronger core, you're more likely to sit and stand
"tall."
Yoga also helps your body awareness. That helps you notice more
quickly if you're slouching or slumping, so you can adjust your posture.
Breathing Benefits
Yoga usually involves paying attention to your breath, which can
help you relax. It may also call for specific breathing techniques.
But yoga typically isn't aerobic, like running
or cycling, unless it's an intense type of yoga or you're doing it in a heated
room.
Less Stress, More Calm
You may feel less stressed and more relaxed after doing some
yoga.
Some yoga styles use meditation
techniques that help calm the mind. Focusing on your breathing during yoga can
do that, too.
Good for Your Heart
Yoga has long been known to lower blood
pressure and slow the heart rate. A
slower heart rate can benefit people with high
blood pressure or heart
disease, and people who've had a stroke.
Yoga has also been linked to lower
cholesterol and triglyceride
levels, and better immune system function.
Saturday, 26 July 2014
সৌন্দর্যচর্চায় লেবুর দারুণ ৮টি ব্যবহার
সৌন্দর্যচর্চায় লেবুর দারুণ ৮টি ব্যবহার

সৌন্দর্যচর্চার খাতিরে না জানি কত অর্থই ব্যয় করছেন আপনি, তাই না? আজ পার্লারে তো কাল কসমেটিক সার্জারি সেন্টারে। কিন্তু জানেন কি, সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে আপনি নিজেই সমাধান করে ফেলতে পারবেন সকল সৌন্দর্য সমস্যা? যেমন লেবুর কথাই ধরুন। এই এক লেবু দিয়ে শরীরের কালো দাগ দূর থেকে থেকে শুরু করে ব্রণ কমানো কিংবা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করা, সবই সম্ভব। কীভাবে ব্যবহার করবেন? আসুন জেনে নেই।
১) লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।
২) লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ বা অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
৩) অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত কমে।
৪) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু কার্যকর। হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুড়ো মিশিয়ে হাত পায়ে লাগান।
৫) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
৬) ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।
৭) একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলালেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৮) একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরো ফর্সা করবে।
শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের যত্নে সহজ ঘরোয়া কিছু প্যাক

শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হওয়ার কারণে ফেটে যায়, মশ্চারাইজার নষ্ট হয়ে যায়, গ্ল্যামার থাকে না। আর এই বর্ষার মৌসুমে এই ধরনের সমস্যাগুলো আরও অনেক বেশি দেখা যায়। এমন শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের কিছু প্রতিকার বাড়িতেই করা সম্ভব। জেনে নিন উপায়গুলো।
১. কলার প্যাক :
এই বর্ষা মৌসুমে প্রয়োজনেও খুব একটা বাহিরে যাওয়া হয় না। তাই আপনার ত্বকের মসৃণতা ফিরিয়ে আনতে পারেন বাসাতেই কলা দিয়ে তৈরি একটা প্যাক ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে আপনি একটি পাকা বা অতিরিক্ত পাকা একটি কলা ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করতে পারেন। কলার এই পাতলা প্রলেপটি মুখে ২০-৩০ মিনিট রাখুন। এরপরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন এই প্যাক ব্যবহারে আপনার ত্বক অনেক বেশি মসৃণ ও ফ্রেশ হয়ে উঠবে।
২. বাদামের প্যাক :
এক্ষেত্রে জবজবে কিছু কাজুবাদাম পেস্ট করুন। এর সাথে ঠান্ডা দুধ, লেবুর রস এবং বেসন মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন। এটি মুখে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহার শেষে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে শুষ্ক ত্বকে বেশ উপকার পাবেন।
৩. দইয়ের প্যাক :
ঠান্ডা দই, লেবুর রস এবং মধুর মিশ্রণটি মুখে হালকাভাবে লাগিয়ে রাখুন। এটি ২০ মিনিট মুখে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকে প্রাঞ্জলতা ফিরে আসবে।
৪. অ্যালোভেরা জেল :
শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরার জেলটিও বেশ উপকারী। এর জন্য আপনি অ্যালোভেরার জেলটি সারা মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে তা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা শুধু ত্বকের মসৃণতাই ফিরিয়ে আনে না ত্বকের বিভিন্ন ব্রণ ওঠারও প্রতিকার করে থাকে।
চেহারার উজ্জ্বলতা বাড়াতে কলার প্যাকে
চেহারার উজ্জ্বলতা বাড়াতে কলার প্যাকে

দই, কলা, ডিম স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকার। তবে প্রচন্ড গরমে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও বেশ কাজ করে এগুলো। এ তিনটির মিশ্রনে তৈরি প্যাক আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও কেরামতি দেখাবে। এমনকি ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন পার্লারের ফেসিয়ালের মতো উপকারিতা।
;
অর্ধেকটা কলা, ১টি ডিমের সাদা অংশ ও ১ টেবিল চামচ দই একসাথে মিশিয়ে প্যাকটি তৈরি করুন।
প্রথমে কলা ভালো করে চটকে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ ও দইয়ের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর পুরো মুখে ভালো করে সমান ভাবে লাগান।
১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। দেখবেন কতটা সতেজ হয়ে উঠে আপনার ত্বক।
বয়সের ছাপ দূর করতে কমলা
বয়সের ছাপ দূর করতে কমলা
বয়স ত্রিশের কোঠার কাছাকাছি এসে গেলেই আমাদের ত্বকে বার্ধক্যের নানা উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার আর শেষ থাকেনা। আমরা নানা প্রসাধনী ব্যবহার করেও তেমন ভাল ফল পাই না। আসলে বয়স যতো বাড়তে থাকে আমাদের ত্বকে একদিকে যেমন ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিক্যাল বেড়ে যায়, তেমনি উপকারী এন্টিঅক্সিডেন্ট কমতে থাকে। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে যেসব উপাদান প্রয়োজনীয়, ফ্রি-রেডিক্যাল সেগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ফলে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পরতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে হলে প্রয়োজন এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা কমলায় পাওয়া যায়।
কমলায় রয়েছে বার্ধক্য প্রতিরোধী উপাদান। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ই
আছে যা একটি অপ্রতিরোধ্য এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং বার্ধক্যরোধী আরো অনেক পুষ্টি
উপাদান আছে। কমলায় যে এসেনশিয়াল অয়েল আছে তা দিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে
আপনার ত্বকে বয়সের ভাজ পরবেনা।

এর জন্য আপনি ২ টেবিল চামচ কমলার রস, ১ টেবিল চামচ মধু, চার টেবিল চামচ বেশন দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরী করুন। এই রকম মিশ্রণ বানিয়ে সপ্তাহে ৪-৫ বার মুখে ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি আপনার ত্বকের তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে। এর থেকে কমলার এসেনশিয়াল অয়েল আপনার ত্বকে প্রবেশ করবে, যা ত্বকের কোলাজেন নামক একটি পদার্থ তৈরীতে সহায়তা করে। ফলে আপনার ত্বক হবে তারুণ্য দ্বীপ্ত কোমল, মসৃন।
তারুণ্য ও সুস্থ্যতা বজায় রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
তারুণ্য ও সুস্থ্যতা বজায় রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট- নামটি হয়তো সকলেই
শুনেছেন। আজকাল বিভিন্ন প্রসাধণীর বিজ্ঞাপনে প্রায়ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের
উপস্থিতির কথা বলা হয়, যা বয়সের ছাপ দূর করে আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে
সাহায্য করে। ঐসব প্রসাধণীতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে আমাদের কোনও লাভ হবে
কিনা সন্দেহ আছে, কিন্তু দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে
নি:সন্দেহে আমাদের জন্য উপকারী। আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো আমাদের
শরীরের সুস্থ্যতা ও যৌবন ধরে রাখার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আসুন
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের আরো উপকারের কথা জেনে নিই।
কী এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট?
শুধু শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখতেই নয়,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না৷ আমাদের
শরীরে যে ক্রমাগত অক্সিডেশন হয়ে চলেছে, তার ফলে তৈরি হচ্ছে
ফ্রি-রেডিক্যালস্৷ এই ফ্রি-রেডিক্যালস্ শরীরের মধ্যে নানা রকম চেইন
রিঅ্যাকশন শুরু করে৷ এই প্রতিক্রিয়া যদি শরীরের কোষের মধ্যে হয় তাহলে দেখা
দিতে পারে নানা গুরুতর সমস্যা, এমনকি কোষের মৃত্যুও হতে পারে৷ আর এখানেই
রক্ষাকর্তার ভূমিকাপালন করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ ফ্রি-রেডিক্যালস্
নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷
রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
উপরের কথাগুলি পড়ে নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে
করছে, কোন কোন রোগ প্রতিরোধে উপকারি এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট? আপাতদৃষ্টিতে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের গুরুত্ব আমরা অনুধাবন করতে না পারলেও, এটি মারাত্বক
সব রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। এরকম কিছু রোগ হলো: ক্যানসার , হৃদরোগ,
ডায়বেটিস, ওবিসিটি(স্থুলতা), স্ট্রেস, নার্ভের অসুখ, অ্যালঝেইমার, মাসকুলার
ডিজেনারেশন, বয়সের ছাপ, চুল পরাসহ আরো নানা শারীরিক সমস্যা।

কী খেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাবো?
ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, ক্যারোটিন,
লাইকোপেন, লুটেন-এই সবেতেই মজুত রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ এখন কথা হচ্ছে,
এই সব তো আর দোকানে আলাদা করে কিনতে পাওয়া যায় না! তাহলে উপায়? উপায় একটাই
প্রতিদিন এমন সব খাবার খাওয়া যাতে ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, ক্যারোটিন,
লাইকোপেন, লুটেন রয়েছে৷ চিন্তার কিছু না, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার
খাওয়ার জন্যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হবে না, অসামান্য কোনও গবেষণাও করতে হবে
না৷ আমাদের পরিচিত অনেক শাক-সবজি ও ফলেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ প্রয়োজন শুধুসেই সব খাবার চিনে নেওয়ার৷ এমনই কিছু
খাবারের সন্ধান দেওয়া হল–
* আপেল, আভোকাডো, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, কিউয়ি, চেরি, ন্যাশপাতি, খেজুর, আনারস, পেয়ারা, কমলালেবু, পেঁপে৷
* পালং শাক, বাঁধাকপি, আলু, মিষ্টি আলু, ব্রকোলি, কুমড়ো, গাজর
* গ্রিন টি, কফি, রেড ওয়াইন
* আখরোট, আলমন্ড, পেস্তা, হ্যাজেলনাট
* লবঙ্গ, দারচিনি, আদা, অরিগ্যানো, হলুদগুঁড়ো
* ওটস, রাজমা (শিমের বীচি), ব্রাউন রাইস (বা ঢেঁকি ছাঁটা চাল), ব্রাউন ব্রেড, ডার্ক চকোলেট
* পালং শাক, বাঁধাকপি, আলু, মিষ্টি আলু, ব্রকোলি, কুমড়ো, গাজর
* গ্রিন টি, কফি, রেড ওয়াইন
* আখরোট, আলমন্ড, পেস্তা, হ্যাজেলনাট
* লবঙ্গ, দারচিনি, আদা, অরিগ্যানো, হলুদগুঁড়ো
* ওটস, রাজমা (শিমের বীচি), ব্রাউন রাইস (বা ঢেঁকি ছাঁটা চাল), ব্রাউন ব্রেড, ডার্ক চকোলেট
আমাদের
প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট কিছু অভ্যাস আছে৷ দীর্ঘদিন ধরে সেই সব অভ্যাস তৈরি
হয়েছে৷ যেমন ধরুন বেশিরভাগ মানুষই সকালে উঠে চিনি দিয়ে দুধ চা খাওয়া পছন্দ
করেন৷ বহু দিন ধরে তেমনটাই করে আসছেন৷ এমন একজনকে হুট করে একদিন যদি বলা হয়
যে তাঁকে এই সব ছেড়ে শুধুমাত্র গ্রিনটি খেতে হবে তা হলে তাঁরপক্ষে খুবই
কষ্টকর হবে, হয়তো তিনি মানতেই চাইবেন না৷ এজন্য, খাওয়ার অভ্যাসে এক সঙ্গে
সব রকম পরিবর্তন না এনে ধীরে ধীরে একটি-দুটি করে পরিবর্তন সংযোজন করুন৷
করছি -করব করে ফেলে রাখবেন না৷ শুরুটা আজ থেকেই করুন৷ হোক না ছোট কোনও
পদক্ষেপ৷ কিন্তু সুস্থ্য ও সতেজ থাকার দিকে প্রথম পা আজই বাড়ান৷ আরও একটা
কথা, হেলদি ডায়েটের সঙ্গে এক্সারসাইজেরও কিন্তু গভীর যোগাযোগ৷ বলছিনা যে
সবাইকে জিমে ছুটতে হবে, কিন্তু প্রতিদিন সামান্য ফ্রিহ্যান্ডএক্সারসাইজ তো
করতেইপারেন৷ কিংবা মর্নিং অথবা ইভনিং ওয়াক? না, প্লিজ, সময় নেই, এই অজুহাত
দেখাবেন না৷ কারণ ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক্সারসাইজের
জন্যে অন্তত ১৫ মিনিট সময় বের করতে আপনি পারবেনই৷ একবার চেষ্টাতো করে দেখুন
বয়সের ছাপ রুখতে হলে লক্ষ্য করুন
বয়সের ছাপ রুখতে হলে লক্ষ্য করুন
চোখের তলায় ভাঁজ, বলিরেখা, খোলা রোমকূপ,
নির্জীব ত্বক এসবই বয়সের ছাপের লক্ষণ। বয়স বাড়লে ত্বকে তার প্রভাব
পড়বেই। তবে নিয়মিত পরিচর্যায় ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখা সম্ভব। দীর্ঘদিন
ধরে ত্বকের যত্ন না নিলে বেশি বয়সের অনেক আগেই ত্বকে বয়সের ছাপ দেখা
যায়। তাই অবহেলা না করে শুরু থেকেই ত্বকের যত্ন নেয়া উচিত। প্রথমেই কী কী
কারণে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে পারে এবং কীভাবে তা থেকে ত্বককে রক্ষা
করবেন, সে ব্যাপারে ধারণা রাখুন।
রোদ থেকে বাঁচুন
ত্বকের সবচেয়ে ক্ষতি করে রোদ। সারাদিন বাইরে রোদের মধ্যে থাকলে, ইউভি রশ্মি থেকে সেল ড্যামেজ হয়। এজিংয়ের অন্যতম কারণ এই সেল ড্যামেজ। এর ফলে ত্বকের বিভিন্ন স্তর, বিশেষ করে সাপোর্টিভ লেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোদে বের হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগাবেন। সমুদ্রের ধারে, বরফের জায়গায় সূর্যরশ্মি থেকে বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সাঁতার কাটার সময় বা সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গেলে বা পাহাড়ে ঠাণ্ডা জায়গায় গেলে সঙ্গে অবশ্যই সানস্ক্রিন নেবেন।
ত্বকের সবচেয়ে ক্ষতি করে রোদ। সারাদিন বাইরে রোদের মধ্যে থাকলে, ইউভি রশ্মি থেকে সেল ড্যামেজ হয়। এজিংয়ের অন্যতম কারণ এই সেল ড্যামেজ। এর ফলে ত্বকের বিভিন্ন স্তর, বিশেষ করে সাপোর্টিভ লেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোদে বের হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগাবেন। সমুদ্রের ধারে, বরফের জায়গায় সূর্যরশ্মি থেকে বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সাঁতার কাটার সময় বা সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গেলে বা পাহাড়ে ঠাণ্ডা জায়গায় গেলে সঙ্গে অবশ্যই সানস্ক্রিন নেবেন।
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য ময়েশ্চার খুব জরুরি। বেশিক্ষণ এয়ারকন্ডিশনে থাকলে আরো বেশি করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। অতিরিক্ত গরমে বা ঠাণ্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বক ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, বলিরেখা দেখা যায়। সাধারণত সাবান, পানি দিয়েই আমরা ত্বক পরিষ্কার করে থাকি। সাবান ব্যবহারের ফলে ত্বকের স্বাভাবিক অ্যাসিড ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব দেখা যায়। শুষ্ক ত্বকের জন্য সাবানের বদলে ক্লিনজিং জেল ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের ওপর জমে থাকা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করে দেয়। দিনে দুবার ত্বক পরিষ্কার করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করা খুবই জরুরি।
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য ময়েশ্চার খুব জরুরি। বেশিক্ষণ এয়ারকন্ডিশনে থাকলে আরো বেশি করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। অতিরিক্ত গরমে বা ঠাণ্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বক ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, বলিরেখা দেখা যায়। সাধারণত সাবান, পানি দিয়েই আমরা ত্বক পরিষ্কার করে থাকি। সাবান ব্যবহারের ফলে ত্বকের স্বাভাবিক অ্যাসিড ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব দেখা যায়। শুষ্ক ত্বকের জন্য সাবানের বদলে ক্লিনজিং জেল ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের ওপর জমে থাকা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করে দেয়। দিনে দুবার ত্বক পরিষ্কার করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করা খুবই জরুরি।
ত্বকের পুষ্টি বা নারিশিং নিশ্চিত করুন
ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখার জন্য নারিশিং জরুরি। শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য নাইট কেয়ার রুটিন মেনে চলুন। আপনার নারিশিং ক্রিমের উপকরণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এনজাইম ইত্যাদি রয়েছে কি না দেখে নিন।
ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখার জন্য নারিশিং জরুরি। শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য নাইট কেয়ার রুটিন মেনে চলুন। আপনার নারিশিং ক্রিমের উপকরণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এনজাইম ইত্যাদি রয়েছে কি না দেখে নিন।
নজর দিন ত্বকের সব জায়গাতেই
স্ক্রিন কেয়ার রুটিনে ত্বকের বিশেষ অংশগুলোর দিকে নজর দিতে ভুলবেন না। ঘাড়, চোখ ও হাতের অংশে সহজে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। ফোলা চোখের সমস্যা কমাতে বরফ ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা দুধ চোখের পাতার ওপর ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। যেহেতু শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় হাতে অনেক আগেই বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, তাই বাসন ধোয়া, কাপড় কাচার সময় রবার গ্লাভস পরতে পারেন। গোসল বা বাড়ির কাজ করার পর হাতে ভালোভাবে ক্রিম ম্যাসাজ করে নিন। দুই টেবিল চামচ চিনি, কয়েক ফোঁটা তেল, লেবুর রস হাতে নিয়ে ভালো করে ঘষে নিন।
স্ক্রিন কেয়ার রুটিনে ত্বকের বিশেষ অংশগুলোর দিকে নজর দিতে ভুলবেন না। ঘাড়, চোখ ও হাতের অংশে সহজে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। ফোলা চোখের সমস্যা কমাতে বরফ ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা দুধ চোখের পাতার ওপর ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। যেহেতু শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় হাতে অনেক আগেই বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, তাই বাসন ধোয়া, কাপড় কাচার সময় রবার গ্লাভস পরতে পারেন। গোসল বা বাড়ির কাজ করার পর হাতে ভালোভাবে ক্রিম ম্যাসাজ করে নিন। দুই টেবিল চামচ চিনি, কয়েক ফোঁটা তেল, লেবুর রস হাতে নিয়ে ভালো করে ঘষে নিন।
চেহারায় বয়সের ছাপের ৫টি লক্ষণ ও প্রতিকার
চেহারায় বয়সের ছাপের ৫টি লক্ষণ ও প্রতিকার
শুধুমাত্র বয়সের কারণেই যে ত্বক বুড়িয়ে যায় তা নয়। ত্বকের তারুণ্য হারিয়ে যাওয়ার পেছনে থাকে অনেক কারণ। রুদ্র আবহাওয়া, ত্বকের সঠিক যত্ন না নেয়া, সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি, সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাব, নিজের কিছু বাজে অভ্যাস, অতিরিক্ত পরিমানে চা/কফি পান, ধূমপান এবং মদ্যপানের অভ্যাস এই সকল কারণে তারুণ্য হারায় ত্বক। দেখা যায় অল্প বয়সেই বুড়িয়ে গেছে ত্বক।
ত্বকের এই অল্প বয়সেই তারুণ্য হারানো প্রতিরোধ এবং প্রতিকার করা যেতে পারে খুব সহজেই। কোনো প্রতিকারের পদক্ষেপ নেয়ার আগে জানতে হবে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণগুলোকে। এতে করে যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা গেলেই প্রতিকারের ব্যবস্থা নিলে অল্প বয়সে ত্বককে তারুণ্য হারানোর হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাহলে জেনে নিন সেই লক্ষণগুলোকে যাতে আপনি বুঝতে পারেন ত্বক হারাচ্ছে তার বয়স।
ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া
ত্বকের তারুণ্য হারাবার প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হচ্ছে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া। শুষ্ক ত্বক প্রাণহীন লাগে দেখতে। ত্বকে থাকে না কোনো দীপ্তি। শুষ্ক ত্বকে খুব দ্রুতই চোখের পাশে রিঙ্কেল দেখা যায়। তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া শুরু করলেই নিতে হবে বিশেষ পদক্ষেপ।
প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। ময়েসচারাইজার ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
কালো ছোপ
ত্বক তারুণ্য হারাতে শুরু করলে ত্বকের পড়ে কালো কালো ছোপ। বিশেষ করে মুখের দুই পাশে, গালে এবং কপালে এই ধরণের ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। কালো কালো ছোপ পরার প্রধান কারণ হচ্ছে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি।
অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। ২০++ এসপিএফ মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উত্তম। কালো ছোপ দূর করার জন্য ফেসিয়াল করা শুরু করা উচিৎ। চাইলে ব্লিচও করতে পারেন।
চামড়া ঝুলে পড়া
ত্বকে বয়সের ছাপের আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে চামড়ার ইলাস্টিসিটি হারানো। ত্বকের নিচের শিরা উপশিরায় রক্ত সঞ্চালন কমে আসলে ত্বক তার ইলাস্টিসিটি হারায়। ফলে চামড়া ঝুলে যায়।
ত্বকের ইলাস্টিসিটি ফেরত আনার জন্য রক্ত সঞ্চালন অতি জরুরী। মুখে কিছুটা বিউটি অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। হারবাল চা পান করুন। ব্রকলি ও গাজর ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করবে।
লাইন এবং রিঙ্কেল
বয়সের কারণে ত্বকের লাইন এবং রিঙ্কেল দেখা যায়। কিন্তু লাইন এবং রিঙ্কেলের জন্য দায়ী ধূমপান ও মদ্যপান। চোখের আশে পাশে, কপালে, মুখের চারদিকে বয়সের কারণে লাইন এবং রিঙ্কেল দেখা যায়। ত্বকের তারুণ্য হারানোর জন্য এগুলো অনেক বেশি দায়ী।
অতি সত্বর ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুণ। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার খান। মাছ, সবুজ শাকসবজি খাবেন। ত্বকে নিয়মিত সানস্ক্রিন ও ময়েসচারাইজার লাগাবেন।
ত্বকে ছোট ছোট গর্ত তৈরি হওয়া
ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার কারণে ত্বকে ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়। একে ওপেন পোরস বলে। বিশেষ করে নাক ও নাকের পাশের ত্বকে এই ধরণের গর্ত দেখা যায়।
টমেটোর রস, মুলতানি মাটি প্রলেপ, ডিমের সাদা অংশ এই সবই ত্বকে ছোট ছোট গর্ত বন্ধ করতে সাহায্য করে। ত্বকের এই ধরণের জন্য ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারও অনেক বেশি কার্যকরী। হলুদ ফলমূল এবং পানি খাওয়া খুব জরুরী
প্রতিনিয়ত আপনার বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দিচ্ছে যে খাবারগুলো
প্রতিনিয়ত আপনার বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দিচ্ছে যে খাবারগুলো

আমরা যা খাই তার প্রভাব আমাদের ওপর খুব ভালো করেই পরে। কারণ খাবারের সাথে আমাদের দেহের সকল কার্যক্রম জড়িত। পরিমিত এবং ভালো খাদ্যাভ্যাস আমাদের দেহ, মন ও মস্তিস্ক সবই রাখে সুস্থ। এবং বাজে খাদ্যাভ্যাস কমিয়ে দেয় আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং আমাদের করে তোলে অসুস্থ। আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি এবং বুঝি কিন্তু কেউই মেনে চলি না যার মধ্যে বাজে খাদ্যাভ্যাস অর্থাৎ হাবিজাবি খাবার খাওয়ার অভ্যাস।
অনেক আজেবাজে খাবার রয়েছে যার কারণে আমাদের দেহের ক্ষতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এমন অনেক খাবার আছে যা আমরা বেশ আনন্দ নিয়ে খেয়ে থাকি। কিন্তু এই খাবারগুলো আমাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে দিনের পর দিন। কমিয়ে দিচ্ছে আমাদের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা করার ক্ষমতা। নিজেদের সুস্থতার কারণে আমাদের সতর্ক হয়ে বর্জন করতে হবে এই সকল খাবার।
ফাস্ট ফুড
ছেলেবুড়ো সকলেরই পছন্দ ফাস্ট ফুড। কোনো উৎসব কিংবা পার্টিতে, অনেকে ইচ্ছা করে এবং বাধ্য হয়ে ফাস্ট ফুড খেয়ে থাকেন। ফাস্ট ফুড এমন একটি খাবার যা নেশা ধরায়। অর্থাৎ একবার খেলে খেতেই ইচ্ছা করে। কিন্তু ফাস্ট ফুড আমাদের মস্তিস্ক এবং বুদ্ধিমত্তার জন্য অনেক খারাপ। প্রায় ৪০০০ বাচ্চার ওপর গবেষণা করে ব্রিটিশ স্টাডিজ তাদের রিপোর্টে বলেন, ‘যে বাচ্চারা প্রায় প্রতিদিন এবং বেশীরভাগ সময় ফাস্ট ফুড ধরণের খাবার খায় তাদের আইকিউ লেভেল একজন সাধারণ বাচ্চার তুলনায় অনেক কম’। শুধুমাত্র বাচ্চাদের জন্য নয় বড়দের জন্যও ফাস্ট ফুড খাওয়া অত্যন্ত খারাপ।
চিনি সমৃদ্ধ খাবার
অনেকেই মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশ পছন্দ করেন। খাবার শেষে একটু মিষ্টি জাতীয় খাবার না খেলে অনেকের খাওয়াই পূর্ণ হয় না। বাচ্চারাও ক্যান্ডি এবং মিষ্টি অনেক বেশি পছন্দ করে। চিনি সমৃদ্ধ খাবার আমাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। ইউসিএলএ এর গবেষকদের মতে ‘ চিনি, ফ্রুক্টোজ কোনো কিছু শেখার ক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে’। তাই যতটা সম্ভব চিনি থেকে দূরে থাকাই ভালো। তবে একেবারে না খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
বাটার এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট
সকালের নাস্তায় পাউরুটির ওপর বাটার এবং খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই বাটার ব্যবহার করেন। কিন্তু বাটার আমাদের বুদ্ধিমত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। বাটার এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের মস্তিস্কের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় যারা এই ধরণের স্যচুরেটেড ফ্যাট বেশি খান তাদের চিন্তাশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যারা খান তাদের তুলনায় অনেক কম।
টিনজাত এবং প্রসেসড ফুড
অনেকেই কর্মব্যস্ত জীবনকে সহজ করার জন্য টিনজাত এবং প্রসেস করা খাবারের ওপর ভরসা করে থাকেন। বাজাতে তো বলতে গেলে সবই ইদানিং টিনজাত এবং প্রসেস করা খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু এই খাবার গুলোতে রয়েছে উচ্চমাত্রার আর্টিফিশিয়াল রঙ ও ফ্লেভার, ট্র্যান্স ফ্যাট এবং লবণ যা মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টলের গবেষকগণ দেখতে পান যারা এই ধরণের খাবার বেশি খান তাদের আইকিউ লেভেল অনেক নিচু থাকে এবং এই খাবারগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও নষ্ট করে।
হেয়ার প্রোটিন অয়েল প্যাক
হেয়ার প্রোটিন অয়েল প্যাক

আমরা সবাই চাই চুলের বিশেষ যত্ন নিতে। চুল কে শক্ত মজবুত ও চুলের গ্রোথের জন্য তেল অত্যন্ত উপকারী উপাদান। তেল হচ্ছে চুলের উজ্জল্যতার প্রাণ। কিন্তু সাধারণ তেলের সাথে যদি কিছু উপাদান যোগ করি তাহলে তা চুলের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি হেয়ার টনিকে পরিণত হয়।
তেলকে প্রোটিনযুক্ত করার জন্য হেয়ার প্রোটিন প্যাক তৈরী করতে হবে।
যা লাগবে—- ১। আমলকি ৫,৬ টি ২। মেথি ১ চামচ(গুড়া বা আস্ত) ৩। জবাফুল ৩ টি ৪। ই-ক্যাপসুল (সফ্ট জেল) ২টি ৫। নারকেল তেল (এক কৌটা) প্যাক তৈরির নিয়ম—
একটি পাত্রে নারকেল তেল, আমলকি, মেথি, জবা ফুল, ই-ক্যাপসুল অর্থাৎ উপরক্ত সকল উপাদান নিয়ে ৩০ মিনিট অল্প আঁচে একসাথে গরম করতে হবে। এরপর গরম করা তেল ছেকে নিয়ে কোন সুবিধাজনক কৌটাতে সংরক্ষণ করতে হবে।
ব্যস তৈরী হয়ে গেল প্রোটিন অয়েল প্যাক। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করতে হবে। এতে আপনার চুল হবে ঘন কালো লম্বা ও মসৃণ। চুলের জন্য এই প্যাকটি অত্যন্ত উপকারী একটি অয়েল প্যাক।
অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে যে ৭টি উপায় অবলম্বন করবেন
অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে যে ৭টি উপায় অবলম্বন করবেন

আপনি কি মাঝে মাঝে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন? কমে করে দেখুন তো কোথাও দাওয়াতে গিয়ে কিংবা নিজের ঘরেই অতিরিক্ত খেয়েছেন কিনা কখনো? প্রতিটি মানুষই প্রায়ই নিজের প্রয়োজনের চাইতে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। খাবার খুব মজা হওয়ার কারণে, প্রিয়জনের অতিরিক্ত জোর করার কারণে অথবা নিজের খাওয়ার পরিমাণ নিজেই বুঝতে না পেরে প্রায়ই বেশি খাওয়া হয়ে যায় আমাদের। এছাড়াও কম্পিউটার চালাতে চালাতে অথবা টিভি দেখার সময় খেলেও অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়।
বেশি খেয়ে ফেললে পেটে এক ধরনের অস্বস্তি ভাব তৈরি হয়। সেই সঙ্গে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহনের ফলে মেদ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বেশি খেয়ে ফেললে সেই খাবার হজম করতেও বেশ সমস্যা হয়। তাই খাবার পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। জেনে নিন অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানোর ৭টি উপায় সম্পর্কে।
১) নিজের খাওয়ার পরিমাণ ঠিক করে নিন। প্রতিদিন কোন বেলা ঠিক কতটুকু খাবেন সেটার পরিমাপ নিজেই নির্ধারণ করে নিন নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী। ধরুন সকালের নাস্তায় যদি একটি রুটি নির্ধারণ করা থাকে তাহলে একটিই খাবেন প্রতিদিন। দুপুরে এক কাপ ভাত আর বাকিটুকু সবজি খাওয়ার পরিমাপ নির্ধারণ করে নিলে প্রতিদিন একই পরিমাণ খাবেন।
২) খুব বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাবেন না কখনই। অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার আগেই হালকা কিছু খেয়ে নিন। অতিরিক্ত ক্ষুধার্ত অবস্থায় খেলে সহজে ক্ষুধা মেটে না এবং বেশি খাওয়া হয়ে যায়।
৩) খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন। একগ্লাস পানি খেয়ে নিলে পেট অনেকটাই ভরে যাবে এবং আপনার অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে। ফলে পরিমিত খাওয়া হবে আপনার।
৪) ছোট প্লেটে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বড় ছড়ানো প্লেটে খেলে বেশি খাবার খাওয়া হয়ে যায়। একটু ছোট এবং মাঝে কিছুটা উঁচু প্লেটে কম খাওয়া নেয়া হয় এবং কম খাওয়া হয়।
৫) অনেক বেশি রকমের তরকারি দিয়ে খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। প্রোটিনের জন্য মাছ বা মাংস এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের জন্য পাঁচমেশালি সবজি রাখুন। একই সঙ্গে মাছ, মাংস, ডিম, অনেক রকমের ভর্তা, তরকারী রাখলে প্রতিটিই অল্প অল্প করে খাওয়ার জন্য বেশি ভাত খাওয়া হয়।
৬) ধীরে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস করুন। যারা দ্রুত খায় তাদের বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে পরিমিত খাওয়া হবে।
৭) কম্পিউটার চালানোর সময় অথবা টিভি দেখার সময় খাবেন না। খাবার টেবিলে বসে খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে অতিরিক্ত খাওয়া হবে না।
Subscribe to:
Comments (Atom)



